মেনু নির্বাচন করুন

ফেনী সরকারী কলেজ

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

ফেনী সরকারী কলেজ ১৯২২ খ্রিঃ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ক্লাশ শুরু ০৮ আগষ্ট ১৯২২ খ্রিঃ।

1922

ইতিহাসঃ

ভৌগলিক অবস্থানগত কারণে ফেনী সরকারী কলেজের গুরুত্ব অপরিসীম। সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিক্ষাদীক্ষায় ফেনী সরকারী কলেজ আলাদা বৈশিষ্ট্যের দাবিদার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমসাময়িককালে তথা ১৯২২ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কলেজ সারা দক্ষিণ পূর্ব বাংলায় ৪টি কলেজের মধ্যে একটি, অপর তিনটি হল চট্টগ্রাম কলেজ, ভিক্টোরিয়া কলেজ ও এম.সি কলেজ। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত শ্রমজীবী মানুষ হতে শুরু করে বিদ্যোৎসাহী বিদগ্ধ, কৃতি শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি অনুকরণীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে আসছে।

            ফেনী সরকারী কলেজ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস পাঠ করলে জানা যায়, ফেনীর কতিপয় শিক্ষিত ও বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তির অক্লান্ত প্রয়াসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই উদ্যোক্তাদের প্রধান হলেন এ্যাডভোকেট মহেন্দ্র কুমার ঘোষ। তদানীন্তন নোয়াখালী জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট রমনী মোহন দাস, তদানীন্তন ফেনী মহকুমা হাকিম ডি.এল.দে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল পরিদর্শক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচ.ই স্ট্যাফল্টনের সহকারী খান বাহাদুর আবদুল আজিজ বি.এ ও তদানীন্তন বিভাগীয় স্কুল পরিদর্শক খান বাহাদুর আহসান উল্যাহ তাঁদের উদ্যোগকে সমর্থন জানান এবং নানানভাবে সহযোগিতা করেন। রায় বাহাদুর ব্যারিষ্টার যশোদা কুমার ঘোষ, এ্যাডভোকেট খান বাহাদুর, এ্যাডভোকেট বারোদা প্রসন্ন দাস, এ্যাডভোকেট গুরুদাস কর, এ্যাডভোকেট চন্দ্রকান্ত দত্ত, এ্যাডভোকেট খান বাহাদুর আবদুল গোফরান, এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছাদেক, এ্যাডভোকেট খান সাহেব ফজলুল হক, এ্যাডভোকেট সাহেব আবদুল খালেক, এ্যাডভোকেট ফনীন্দ্র মুখার্জী, মোক্তার হাসান আলী প্রমুখ ছিলেন ফেনী কলেজ প্রতিষ্ঠার উল্লেখযোগ্য উদ্যোক্তা।

            ফেনী অঞ্চলের জনগণের টাকায় ফেনী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় প্রথম ধাপে স্থানীয়ভাবে ২০ হাজার টাকা চাঁদা উঠেছিল। পরে নোয়াখালী জেলা বোর্ড দেয় ৫০ হাজার টাকা, কলিকাতা নিবাসী ফেনীর আমিরগাঁও’র জমিদার চন্দ্রীচরণ সাহা দেন ৪ হাজার টাকা, নোয়াখালীর জমিদার কুমার অরুণ চন্দ্র সিংহ বাহাদুর দেন ২ হাজার টাকা, সত্যেন্দ্র চন্দ্র ঘোষ ১ হাজার টাকা, লক্ষীপুরের সাহেস্তা নগরের জমিদার প্যারীলাল রায় চৌধুরী দেন পাঁচশত টাকা, ফেনী বাঁশপাড়ার জমিদার পরিবারের চন্দ্র কুমার চৌধুরী দেন ১ হাজার টাকা। ফেনীর পুরানো হাজারী বাড়ী কিছু জমি ও অর্থ দান করেন। কলিকাতা ও রেংগুনে বসবাসকারী ফেনীবাসীদের কাছ থেকে কিছু অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। ত্রিপুরার মাহারাজা কলেজকে অনুদান দেন। ফেনী হাইস্কুলের বার্ষিক ১টাকা ৪ আনা খাজনামূলে দান করা জমিতে (বর্তমান যেখানে মূল ভবন অবস্থিত) কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে আশেপাশের কিছু খাসজমি ও ব্যক্তি মালিকীয় জমি দান ও ক্রয় সূত্রে কলেজের অন্তর্ভূক্ত হয়। বর্তমানে কলেজের আয়তন ৯.২৫ একর। (ফেনী মৌজায় ৬.৫ এর, ফলেশ্বর মৌজায় ৩ একর)। একটি কলেজ গৃহ, পুকুরের দু’পাশে একটি হিন্দু ও একটি মুসলিম হোস্টেল নিয়ে কলেজের যাত্রা। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সকলের সার্বিক সহযোগিতায় ও ছাত্র বেতনে আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকে কলেজ।

            ১৯২২ সালের জুন-জুলাই থেকে কলেজের অফিসিয়াল কার্যক্রম শুরু হয়। একই বছরে ক্লাশ শুরু হয় ৮ই আগস্ট। ১৯২২ সালে আইএ কোর্স চালু হয়। পঠিত বিষয়গুলো ছিল-বাংলা, ইংরেজী, সংস্কৃত, আরবী, ফার্সী, ইতিহাস, যুক্তিবিদ্যা ও গণিত। আইএ কোর্স চালুকালীন ১৪৬ জন ছাত্র ভর্তি হয়। যার মধ্যে ৭১ জন ছিল মুসলিম। ১৯২৪ সালে বি.এ কোর্স এবং আরবী ও ইতিহাস বিষয়ে অনার্স কোর্স (কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন) চালু হয়। আই কম কোর্স চালু হয় ১৯৪১ সালে; আই.এস.সি কোর্স চালু হয় ১৯৪৭ সালে; বি.কম কোর্স চালু হয় ১৯৬২ সালে; বি.এস.সি কোর্স ১৯৬৪ সালে। নব পর্যায়ে অনার্স কোর্স প্রবর্তিত হয় ১৯৯৭ সালে। প্রথম পর্যায়ে বাংলা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, গণিত, সমাজকর্ম, ব্যবস্থাপনা ও হিসাববিজ্ঞান চালু হয়। বর্তমান অধ্যক্ষ প্রফেসর উৎপল কান্তি বৈদ্য মহোদয়ের অক্লান্ত প্রচেষ্টায়          ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ও রসায়ন বিষয়ে এবং ২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষে ইংরেজী ও প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হয়েছে।

ফেনী সরকারী কলেজ ১৯২২ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও জাতীয়করণ হয় ০৭-০৫-১৯৭৯ সালে। প্রতিষ্ঠাকালে কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন বীরেন্দ্র লাল ভট্টাচার্য্য।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
প্রফেসর উৎপল কান্তি বৈদ্য 0 fenigovtcollege@yahoo.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

 

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা  (শ্রেণী ভিত্তিক)ঃ

 

উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীঃ

 

শিক্ষাবর্ষ

গ্রুপ/শাখা

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

 

২০১১-২০১২

মানবিক

৩৭৯

ব্যবসায় শিক্ষা

৪২৬

বিজ্ঞান

৩২৫

সর্বমোট =

১১৩০

 

শিক্ষাবর্ষ

গ্রুপ/শাখা

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

 

২০১২-২০১৩

মানবিক

৪৩১

ব্যবসায় শিক্ষা

৩৮২

বিজ্ঞান

৩৯৭

সর্বমোট =

১২১০

 

 

শিক্ষাবর্ষ

গ্রুপ/শাখা

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

 

২০১১-২০১২

মানবিক

৪৩১

বিজ্ঞান

৩৯৭

ব্যবসায় শিক্ষা

৩৮২

সর্বমোট =

১২১০

 

 

শিক্ষাবর্ষ

গ্রুপ/শাখা

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

 

২০১০-২০১১

মানবিক

৩৭৯

বিজ্ঞান

৩২৫

ব্যবসায় শিক্ষা

৪২৬

সর্বমোট =

১১২০

 

 

সন

সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

গ্রুপ অনুযায়ী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

 

২০০৯-২০১০

মানবিক

৪১৯

বিজ্ঞান

৩৩১

ব্যবসায় শিক্ষা

৩৬৪

সর্বমোট =

১১১৪

 

 

 

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা  (শ্রেণী ভিত্তিক)ঃ

 

ডিগ্রী (পাস) শ্রেণীঃ

 

সন

গ্রুপ/শাখা

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

 

২০১১-২০১২

বি.এ (পাস)

২৫

বি.এস.এস (পাস)

৭৪৯

বি.বি.এস (পাস)

১১৬২

বি.এস-সি

৬২

সর্বমোট =

১৯৯৮

 

সন

গ্রুপ/শাখা

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

 

২০১০-২০১১

বি.এ (পাস)

৪৩

বি.এস.এস (পাস)

৮৩১

বি.বি.এস (পাস)

৯৭০

বি.এস-সি

৪৫

সর্বমোট

২৭৬৪

 

সন

গ্রুপ/শাখা

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

 

২০০৯-২০১০

বি.এ (পাস)

১৮

বি.এস.এস (পাস)

৫৭১

বি.বি.এস (পাস)

৫৩৩

বি.এস-সি

৬৪

সর্বমোট =

১১৮৬

 

সন

গ্রুপ/শাখা

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

 

২০০৮-২০০৯

বি.এ (পাস)

২২

বি.এস.এস (পাস)

৩৪৬

বি.বি.এস (পাস)

৩৯৪

বি.এস-সি

২৭

সর্বমোট =

৭৮৯

 

সন

গ্রুপ/শাখা

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

 

২০০৭-২০০৮

বি.এ (পাস)

২১

বি.এস.এস (পাস)

২০৭

বি.বি.এস (পাস)

২৯৩

বি.এস-সি

২২

সর্বমোট =

৫৪৩

82.31%

বিগত পাঁচ বছরের ফলাফল নিম্নরূপ

বিগত পাঁচ বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার ফলাফলঃ

সন

সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

গ্রুপ অনুযায়ী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের সংখ্যা

পাশের হার

 

২০০৮

মানবিক

২৮৬

২২১

৭৭.২৭%

বিজ্ঞান

২৭১

১৯১

৭০.৪৯%

ব্যবসায় শিক্ষা

৩০৯

২৯০

৯৩.৮৫%

সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

৮৬৭

মোট পাশের সংখ্যা- ৭০২

মোট পাশের হার- ৮০.৯৬%

 

সন

সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

গ্রুপ অনুযায়ী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের সংখ্যা

পাশের হার

 

২০০৯

মানবিক

৩৪৫

২৫১

৭২.৭৫%

বিজ্ঞান

৩০৪

২৩৭

৭৮.৯৬%

ব্যবসায় শিক্ষা

৩৪৪

৩০৫

৮৮.৬৬%

সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

৯৯৩

মোট পাশের সংখ্যা- ৭৯৩

মোট পাশের হার- ৭৯.৮৫%

 

সন

সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

গ্রুপ অনুযায়ী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের সংখ্যা

পাশের হার

 

২০১০

মানবিক

৪১৯

৩৩১

৭৯.৪৭%

বিজ্ঞান

৩৩১

২৪৬

৭৪.৩২%

ব্যবসায় শিক্ষা

৩৬৪

৩৩৪

৯১.৭৫%

সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

১১১৪

মোট পাশের সংখ্যা- ৯১১

মোট পাশের হার- ৮১.৭৮%

 

সন

সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

গ্রুপ অনুযায়ী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের সংখ্যা

পাশের হার

 

২০১১

মানবিক

৩৭৯

১৮৯

৪৯.৮৬%

বিজ্ঞান

৩২৫

২৫৬

৭৮.৮০%

ব্যবসায় শিক্ষা

৪২৬

৩৬৩

৮৫.২১%

সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

১১২০

মোট পাশের সংখ্যা- ৮০৮

মোট পাশের হার- ৭২.১৪%

 

 

সন

সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

গ্রুপ অনুযায়ী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের সংখ্যা

পাশের হার

 

২০১২

মানবিক

৪৩১

৩১০

৭২.০০%

বিজ্ঞান

৩৯৭

৩৩৬

৮৪.৬৩%

ব্যবসায় শিক্ষা

৩৮২

৩৫০

৯১.৬২%

সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

১২১০

মোট পাশের সংখ্যা- ৯৯৬

মোট পাশের হার- ৮২.৩১%

অর্জনঃ

1)     ২০১১ সালের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৩০১টি কলেজের মধ্যে ৯ম স্থান ও ২৫টি সরকারী কলেজের মধ্যে ২য় স্থান লাভ ।

2)    ২০১২ সালের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৩০১টি কলেজের মধ্যে ১১তম স্থান লাভ  এবং ২৫টি সরকারী কলেজের মধ্যে ২য় স্থান লাভ ।

3)    কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক উত্ত ফলাফলের জন্য সেরা ২০টি কলেজের মধ্যে যথাক্রমে ৯ম ও ১১তম স্থান লাভের সম্মাননা সনদ অর্জন ।

4)     ২০০৮ সালের অনার্স চুড়ান্ত পর্ব পরীক্ষায় গণিত বিভাগের ছাত্রী সামছুর নাহার বি.এস-সি অনার্স পরীক্ষায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তথা সমগ্র বাংলাদেশে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান লাভ করে।

5)    ইতিপূর্বে বাংলা বিভাগের ০১ জন ছাত্রী বি.এ. অনার্স পরীক্ষায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২য় শ্রেণীতে ১ম স্থান অধিকার করে সমগ্র বাংলাদেশে মেধাতালিকায় ১ম স্থান লাভ করে। উল্লেখ্য যে, ঐ বছর বাংলা বিভাগে কেউ ১ম শ্রেণী লাভ করেনি।

6)    ২০১১ সনে এইচ.এস.সি পরীক্ষা ৫৬ জন ছাত্র-ছাত্রী জিপিএ- ৫ এবং ২০১২ সালে ১০৭ জন ছাত্র-ছাত্রী  জিপিএ-৫ লাভ ।

7)    ২০১০ সালে বি.এস-সি (পাস) পরীক্ষায় ০১ জন পরীক্ষার্থী রেকর্ড পরিমান মার্কস পেয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ১ম বিভাগ লাভ করে এবং সমগ্র বাংলাদেশে ২য় স্থান অর্জন করে।

8)    কলেজটি বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার মধ্যে স্বনামধন্য একটি ঐতিহ্যবাহী কলেজ হিসেবে সর্বসাধারণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার মানউন্নয়ন। অধিকন্তুচলতি ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে আরো ৪টি বিষয়ে অর্থাৎ পদার্থবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয়ে অনার্স কোর্স চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন ।

            আগামী শিক্ষাবর্ষ হতে হিসাববিজ্ঞান, বাংলা, অর্থনীতি ও গণিত বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স খোলার বিষয়টি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্রিয়াধীন আছে। এবছর যারা অনার্স চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে তারা মাস্টার্স শেষ পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ লাভ করবে বলে কলেজ কর্তৃপক্ষ আশা করছে।

            অত্র কলেজে এনাম কমিটির সুপারিশ মোতাবেক আরো ২৮টি পদ সৃষ্টির বিষয়ে আবেদন বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রক্রিয়াধীন।

College road,feni

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ২০০৮ সনে ৪র্থ বর্ষ স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় গণিত বিষয়ে ০১ জন ছাত্রী প্রথম শ্রেণীতে ১ম স্থান অধিকার করেছে।

২০১০ সালে বি.এস-সি (পাস) পরীক্ষায় ০১ জন পরীক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ১ম শ্রেণী লাভ করে এবং সমগ্র বাংলাদেশে ২য় স্থান অর্জন করে। ২০১১ সনে এইচ.এস.সি পরীক্ষা ৫৬ জন ছাত্র-ছাত্রী জিপিএ- ৫ এবং ২০১২ সালে ১০৭ জন ছাত্র-ছাত্রী  জিপিএ-৫ লাভ করে।



Share with :

Facebook Twitter